Loading ...
Sorry, an error occurred while loading the content.
 

ঈমান-আক্বীদা ও আম ল হিফাযতের উদ্দে শ্যে ফ্যামিলি প্ ল্যানিং বা জন্মন িয়ন্ত্রণ হতে প্র ত্যেক মুসলমান পু রুষ ও মহিলা সকলকে বিরত রাখা প্রত্য েক মুসলমান সরকার ের জন্য ফরয-ওয়াজি ব।

Expand Messages
  • Mansurul Haider
    মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘যমীনে যেসব প্রাণী রয়েছে,
    Message 1 of 1 , Apr 1, 2012
      মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘যমীনে যেসব প্রাণী রয়েছে, তাদের সকলের রিযিকের একমাত্র জিম্মাদার হলেন মহান আল্লাহ পাক তিনি
      আর হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, ‘রিযিক মানুষকে এমনভাবে তালাশ করে; যেমন মৃত্যু মানুষকে তালাশ করে
      তাই রিযিকের অভাব হবে মনে করে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা কাট্টা কুফরী
      কারণ এর দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে একমাত্র রিযিকদাতা হিসেবে অস্বীকার করা হয়!
      আর সাধারণভাবে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা মাকরূহকারণ তা অপচয়ের শামিল
      কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, ‘অপচয়কারী শয়তানের ভাই
      উল্লেখ্য, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর ইলম না থাকার কারণেই অনেকে সন্তান কমানোর মতো কুফরী কথা বলে থাকে
      স্মরণীয় যে, ঈমান-আক্বীদা ও আমল হিফাযতের উদ্দেশ্যে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ হতে
      প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলকে বিরত রাখা প্রত্যেক মুসলমান সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব
      বর্তমানে কিছু উলামায়ে ছূ’ (দুনিয়াদার মাওলানা) জন্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে ফতওয়া দেয়যারা জন্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে বলে থাকে তারা গুমরাহ ও মূর্খ ড. ম্যালথাসের একটি মনগড়া, বিভ্রান্তিকর বিবৃতির উল্লেখ করে বলে যে, বর্তমানে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা জরুরীমূলত, গুমরাহ ও মুর্খ ড. ম্যালথাস ১৭৯৮ সালে বিবৃতি দিয়েছিল- একশত বছর পরে পৃথিবীতে লোকের জায়গা ধরবে নাকিন্তু বর্তমানে একশত বছর অতিক্রম করে দুশত বছর পার হয়ে গেছেতারপরও দেখা গেছে জনসংখ্যা অনুযায়ী পৃথিবীর অনেক জায়গাই খালি রয়েছেঅতএব, সাব্যস্ত হলো যে, গুমরাহ ও মূর্খ ড. ম্যালথাসের বিবৃতি সম্পূর্ণ ভুল, অশুদ্ধ ও বিভ্রান্তিমূলক
       
      উলামায়ে ছূবা ধর্মব্যবসায়ী মৌলবীরা গুমরাহ ও মূর্খ ড. ম্যালথাস-এর বক্তব্যের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে সূরা তাগাবুন’-এর ১৫ নম্বর আয়াত শরীফ দলীল স্বরূপ পেশ করে যার অর্থ তারা করে থাকে, “অধিক সম্পদ এবং অধিক সন্তান বিপদের কারণমূলত, তাদের এ অর্থটি সঠিক নয়
       
      , উলামায়ে ছূদের করা অর্থ মুতাবিক অধিক সন্তান ও অধিক সম্পদ বিপদের কারণএ বিপদ থেকে বাঁচার জন্য তারা সন্তান কমানোর জন্য পরামর্শ দিচ্ছে এবং সাথে সাথে ব্যবস্থাও নিচ্ছেএখন কথা হলো- বিপদ থেকে বাঁচার জন্য যদি সন্তান কমানো হয়, তাহলে অনুরূপ বিপদ থেকে বাঁচার জন্য সম্পদও তো কমিয়ে দিতে হবেকাজেই যারা চাকরি করে থাকে, তারা বছর বছর ইনক্রিমেন্ট নিতে পারবে নাযারা ব্যবসা করে থাকে, তারা পুঁজি ও দোকান-পাট বাড়াতে পারবে না এবং যারা চাষাবাদ করে থাকে, তারা জায়গা-জমি, বাড়ি-ঘর ইত্যাদি বাড়াতে পারবে নাবরং সবকিছু কমিয়ে দিতে হবেকমাতে কমাতে একদিন দেখা যাবে যে, তারা সকলেই শূন্য অর্থাৎ নিঃশেষ হয়ে গেছে
      উলামায়ে ছূরা সূরা তাগাবুন-এর ১৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এর যে অর্থ করেছে সে অর্থ সম্পূর্ণ ভুলসঠিক অর্থ হবে- সম্পদসমূহ এবং সন্তানসমূহ বিপদের কারণ অর্থাৎ পরীক্ষা স্বরূপতা অল্প সম্পদও হতে পারে, বেশিও হতে পারেআর সন্তান একটাও হতে পারে, দশটিও হতে পারে
       
      যারা জন্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে বলে থাকে, তারা একখানা হাদীছ শরীফ-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলে থাকে যে, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যাহাদুল বালাঅর্থাৎ অধিক সন্তান ও অল্প সম্পদ থেকে পানাহ চেয়েছেনমূলত, এর সহীহ বা সঠিক ব্যাখ্যা হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই দোয়া করেছেন এবং দোয়ার তরতীব শিক্ষা দিয়েছেনপ্রকৃতপক্ষে এ হাদীছ শরীফ-এ সন্তান কমানোর কথা বলা হয় নাইবরং যদি কারো সন্তান বেশি হয়, আর সম্পদ কম হয়, তাহলে সে যেন দোয়া করে- সম্পদ বেশি হওয়ার জন্যঅর্থাৎ উক্ত হাদীছ শরীফ-এর অর্থ জন্মনিয়ন্ত্রণ নয়উক্ত হাদীছ শরীফ-এর অর্থ হচ্ছে- সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া করা ও মহান আল্লাহ পাক উনার মুখাপেক্ষী থাকা এবং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নির্দেশ-এর প্রতি দৃঢ়চিত্ত ও রুজু থাকাযেমন অন্য হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত হয়েছে যে, “তোমরা, একটা জুতার ফিতার দরকার হলেও তার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে চাও
       
      মহান আল্লাহ পাক তিনি রোজ আযলে (সৃষ্টির শুরুতে) সকল রূহ সম্প্রদায়কে একসাথে সৃষ্টি করে সম্বোধন করে বলেছিলেন, “আমি কি তোমাদের রব নই?” তারা জবাব দিয়েছিলেন, “হ্যাঁ, আপনি আমাদের রবঅর্থাৎ সমস্ত রূহ একসাথে সৃষ্টি হয়েছেরূহ আগে বা পরে সৃষ্টি হয়নি বা হয় নাকাজেই যাদের রূহ সৃষ্টি হয়েছে, তারা তো দুনিয়াতে আসবেইআর যাদের রূহ সৃষ্টি হয়নি, তাদের তো আসার প্রশ্নই উঠে নাউল্লেখ্য, মানুষ পৃথিবীতে আগে পরে এসে থাকে অর্থাৎ মানুষ পর্যায়ক্রমে জন্মগ্রহণ করে থাকেঅতএব, রূহ যদি সব একসাথে সৃষ্টিই হয়ে থাকে, আর নতুন করে সৃষ্টি না হয়, তবে জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি অবলম্বন করে কি হবে?
       
      জন্মনিয়ন্ত্রণ হচ্ছে- একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, যার মাধ্যমে প্রথমত তারা মুসলমানগণের ঈমান ও আক্বীদা নষ্ট করতে চায়দ্বিতীয়তঃ মুসলানদের সংখ্যা কমানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ততৃতীয়তঃ এর মাধ্যম দিয়ে মুসলমানগণের চরিত্র নষ্ট করার সূক্ষ্ম পথ অবলম্বন করা হয়েছেকারণ মায়েদের চরিত্র হনন করতে পারলে সন্তানদের চরিত্রও সহজেই নষ্ট করা যাবে
      রিযিকের অভাব হবে মনে করে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা কাট্টা কুফরীকারণ এর দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে একমাত্র রিযিকদাতা হিসেবে অস্বীকার করা হয়! আর সাধারণভাবে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা মাকরূহকারণ তা অপচয়ের শামিলকুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “অপচয়কারী শয়তানের ভাইউল্লেখ্য, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর ইলম না থাকার কারণেই অনেকে সন্তান কমানোর মতো কুফরী কথা বলে থাকেস্মরণীয় যে, ঈমান-আক্বীদা ও আমল হিফাযতের উদ্দেশ্যে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ হতে প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলকে বিরত রাখা প্রত্যেক মুসলমান সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব
      -০-
       
    Your message has been successfully submitted and would be delivered to recipients shortly.